বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড কয়টি?

প্রশ্ন: বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড কয়টি?

সঠিক উত্তর: ৮ টি

ইপিজেড কী?

ইপিজেড এর পুর্ণরূপ হচ্ছে এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন বা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল। রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হচ্ছে এক ধরনের মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল। ইপিজেড সমূহ সাধারণত ভৌগলিকভাবে সুবিধাজনক স্থানে স্থাপন করা হয়, যাতে বানিজ্যিক সুবিধা পাওয়া যায়। সাধারণত কোনো সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, সীমান্তের কাছাকাছি ইপিজেড গড়ে তোলা হয়।

ইপিজেডসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ইপিজেডে মূলত রফতানির উদ্দেশ্যে পণ্য উৎপাদন করা হয়। যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার অন্যতম প্রধান একটি উৎস।

জেনে নিন আন্দিজ পর্বতমালা কোথায় অবস্থিত?

বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড কয়টি?

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা চিন্তা করে ১৯৮৩ সালে চট্রগ্রামের দক্ষিণ হালিশহরে নির্মিত হয় দেশের প্রথম ইপিজেড। যেটি সিইপিজেড বা চট্টগ্রাম ইপিজেড নামেও পরিচিত। এটা শুধু বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ছিল না, এটা দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম ইপিজেডও বটে! এছাড়া চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ে আরেকটি ইপিজেড স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

আরো পড়ুন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোনটি?

চট্রগ্রামে ইপিজেড স্থাপন করার পরে বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনীতিতে ইপিজেডের ভূমিকা অনুধাবন করে। তাই একে একে আরো সাতটি ইপিজেড বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড রয়েছে আটটি। বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড কয়টি? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে বাংলাদেশে ৮ টি সরকারি ইপিজেড আছে।

বাংলাদেশের ইপিজেড সমূহ

১৯৮৩ সালে চট্রগ্রামে প্রথম স্থাপিত হয় ইপিজেড। এরপর দ্বিতীয় সরকারি ইপিজেডটি স্থাপিত হয় ঢাকায় ১৯৯৩ সালে এবং তৃতীয় ইপিজেডটি বাগেরহাটের মংলায় ১৯৯৯ সালে। তার ঠিক এক বছর পর ২০০০ সালে কুমিল্লা ইপিজেড এবং ২০০১ সালে নীলফামারীতে উত্তরা ও পাবনায় ঈশ্বরদী ইপিজেড নামে দুইটি ইপিজেড নির্মাণ করা হয়।

এছাড়া ২০০৬ সালে চট্রগ্রামে আরেকটি ইপিজেড স্থাপন করা হয়েছিল যেটি কর্ণফুলী ইপিজেড নামে পরিচিত। একই বছর নারায়ণগঞ্জে স্থাপিত হয় আদমজী ইপিজেড। বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড সমূহ হচ্ছে-

  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. মংলা ইপিজেড
  4. কুমিল্লা ইপিজেড
  5. ঈশ্বরদী ইপিজেড
  6. উত্তরা ইপিজেড
  7. আদমজী ইপিজেড
  8. কর্ণফুলী ইপিজেড
প্রশ্নের উৎস

বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড কয়টি প্রশ্নটি ৩৭ তম বিসিএসে এসেছিল। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার এসেছিল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি। ইপিজেড সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ বরাবরের মতই গুরুত্বপূর্ণ ও কমন উপযোগী।

তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া