সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট বিভাগ অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে ০১ আগস্ট, ষষ্ঠ বিভাগ হিসেবে সিলেট বিভাগটি গঠিত হয়। পূর্বে বৃহত্তর সিলেট ; চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক দিয়ে অনন্য।

সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ

সিলেট বিভাগে কয়টি জেলা রয়েছে? সঠিক উত্তর হচ্ছে চারটি জেলা রয়েছে। চলুন জেনে নেই সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ কি কি এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

সিলেট বিভাগের জেলা সমূহ

১. সিলেট

সুরমা নদীর তীরবর্তী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত সিলেট শহরটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। সিলেট জেলার মোট আয়তন ৪১.৮৫ বর্গকিলোমিটার। পূর্বে এই শহরটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চে সিলেট জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসেবে সরকার ঘোষণা করেন। সিলেটের কমলা লেবু, সাতকরার আচার, চা পাতা, সাত রংয়ের চা পুরো বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

২. সুনামগঞ্জ

১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে ৩,৬৬৯.৫৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সুনামগঞ্জকে জেলা হিসেবে প্রথম প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ধারণা করা হয়, ‘সুনামদি’ নামক জনৈক মোঘল সিপাহীর নাম অনুসারে এই জেলার নাম সুনামগঞ্জ করা হয়েছে। বাংলার বিখ্যাত মরমী সাধক কবি ও বাউল হাসন রাজার বাড়ি এই সুনামগঞ্জেই অবস্থিত যা বর্তমানে ঐতিহাসিক নির্দশন ও ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে অন্যতম।

৩. মৌলভীবাজার

সিলেট বিভাগের অন্তর্ভুক্ত আরেকটি জেলা হচ্ছে মৌলভীবাজার। এই জেলার মোট আয়তন ২,৭৯৯.৩৮ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার অর্থনীতির প্রধান একটি দিক চা নির্ভর। মৌলভীবাজার জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত শ্রীমঙ্গল উপজেলাটি চায়ের রাজধানী নামে বিখ্যাত।

৪. হবিগঞ্জ

পূর্বে হবিগঞ্জ অঞ্চলটি সিলেট জেলার একটি মহকুমা থাকলেও ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ “হবিগঞ্জ” জেলায় উন্নীত হয়। হবিগঞ্জ জেলার আয়তন মোট ২৫৩৬.৫৮ বর্গকিলোমিটার। সাগরদিঘী, বানিয়াচং, রাবার বাগান, সাতছড়ি চা বাগানের মত দর্শনীয় ও বিখ্যাত স্থানগুলো হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এই একটি আর্টিকেল থেকে আমরা জানতে এক সাথে যা যা জানতে পারলাম–

  • সিলেট বিভাগে জেলা সংখ্যা কয়টি?
  • সিলেট বিভাগের জেলাগুলো কী কী?
  • সিলেট বিভাগ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  • সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের কততম বিভাগ?

আরো পড়ুন

প্রাকৃতিক প্রাচুর্য্যে ঘেরা ঐতিহ্যবাহী এই সিলেটকে বাংলাদেশের ভবিষ্যত অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে সিলেট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে সমৃদ্ধ করে আসছে। বাংলাদেশের “কৃষি রাজধানী” হিসেবেও সিলেট বেশ পরিচিত।

তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া

শেয়ার করুন

Leave a comment