বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?

সঠিক উত্তর: যশোর জেলা

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?

যশোর জেলা

খুলনা বিভাগে অন্তর্গত যশোর জেলা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর মধ্যে একটি। ১৭৮১ সালে যশোর জেলা প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এই জেলাটি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এছাড়া যশোর জেলার সাথে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বেশির ভাগ আমদানি ও রপ্তানি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম বন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর এই জেলাতেই অবস্থিত। যশোরের একটি বৃহত্তর জেলা, এই জেলায় মোট উপজেলা সংখ্যা ৮ টি। যশোর জেলায় বিভিন্ন রকম রং বেরঙের ফুল জন্মাতে দেখা যায়। তাই যশোর জেলাকে ফুলের রাজধানী নামেও ডাকা হয়। যশোর জেলার আদি নাম যশোহর। জেলা শহরের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনটি যশোহর রেলওয়ে জংশন স্টেশন নামে পরিচিত।

আরো পড়ুন

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?

বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। বর্তমানে সকল কিছুই তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে গেছে। পূর্বে বাংলাদেশের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম হাতে কাগজে করা হতো। এভাবে প্রচুর সময় ও শ্রম উভয়ে নষ্ট হতো। সেই সাথে জবাবদিহিতার ঘাটতিও ছিল। ফলস্বরূপ, দুর্নীতি করার সুযোগ অসৎ কর্মকর্তারা পেতো।

কিন্তু বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে প্রত্যেকটি প্রশাসনিক কাজে ডিজিটালাইজেশন করছে। ফলস্বরূপ, জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সকল প্রশাসনিক কাজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ ও সেবা বিতরণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে ডিজিটালাইজেশনের চিত্র চোখে পড়ে। কিন্তু যশোর জেলায় এমন প্রথম জেলা যেখানে প্রায় সকল প্রশাসনিক কাজ কর্ম ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে।

যশোর জেলা মানুষ জন্য এখন থেকে চিঠির পাশাপাশি ইমেইল ও ফোন কলের মাধ্যমেও জেলার সকল প্রশাসনিক দপ্তর থেকে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। যশোর জেলাকে রোল মডেল ধরে ইতিমধ্যে অন্যান্য জেলাগুলো তাদের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে আয়ত্তে আনার প্রচেষ্টা করছে।

প্রশ্নের উৎস

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি? প্রশ্নটি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি পরীক্ষায় নিয়মিত আসতে দেখা দিয়েছে। বিসিএসসহ অন্যান্য সকল সরকারি চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নের উত্তর জানা আপনার জন্য লাভজনক হতে পারে।

তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া

Leave a comment