ডিমে কোন ভিটামিন নেই?

প্রশ্ন: ডিমে কোন ভিটামিন নেই?

সঠিক উত্তর: ভিটামিন সি

ডিমে কোন ভিটামিন নেই?

ভিটামিন কি?

বেচে থাকার তাগিদে আমরা বিভিন্ন রকম খাদ্য গ্রহণ করে থাকি। আমাদের খাদ্যসমূহকে বিজ্ঞানীরা ছয়টি উপাদানে বিভক্ত করেছেন। যার মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যগুলো হচ্ছে প্রধান খাদ্য উপাদান। এদের পাশাপাশি পানি, খনিজ লবণ ও ভিটামিন হচ্ছে অন্যতম প্রধান উপাদান। তবে ছয়টি খাদ্য উপাদানের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হচ্ছে ভিটামিন।

এই ভিটামিন আমাদের দেহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করে থাকে। আমিষ বা শর্করা যে পরিমাণ আমরা গ্রহণ করি, ভিটামিন কিন্তু খুবই কম গ্রহণ করতে হয়। ভিটামিন বেশি পরিমাণের প্রয়োজন না হলেও এর সামান্যতম ঘাটতি হলে আমাদের শরীরে নানা রকম রোগ দেখা যেতে পারে।

ভিটামিনেরও আবার প্রকারভেদ রয়েছে। এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ভিটামিনকে ছয়টি ভাগে ভাগ করেছেন। এগুলোকে এ, বি, সি, ডি, ই এবং কে নামে নামকরণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ভিটামিনের কাজ আলাদা আলাদা। যেমন: ভিটামিন সি আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে। ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলেই আমাদের দেহে নানা রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়। সাধারণত টক জাতীয় ফলমূল ও সবুজ শাক সবজিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন সৌরজগতের লাল গ্রহ কোনটি?

ডিমে কোন ভিটামিন নেই?

ভিটামিন সি মূলত হচ্ছে এক প্রকার এসিড, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় এসকরবিক এসিড বলা হয়। অপরদিকে দুধ সুষম খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু দুধে কোনো প্রকার এসিড পাওয়া যায় না। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে বের করেছেন যে দুধের মধ্যে অন্য সব ভিটামিন উপস্থিত থাকলেও ভিটামিন সি এক্কেবারেই নেই।

দুধকে সুষম খাদ্য বলা হয়, কেননা এখানে খাদ্য উপাদানের ছয়টি প্রধান উপাদানের বিদ্যামান। দুধে ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন ডি-এর পরিমাণ অনেক বেশি। তবে ভিটামিন সি পেতে হলে আমাদের আমলকি, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, আম, লিচু ইত্যাদি সতেজ ফলমূল গ্রহণ করা উচিত। এছাড়া বিভিন্ন রকম সবুজ শাকসবজি থেকে ভিটামিন সি-এর পাশাপাশি অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় ভিটামিনগুলো পাওয়া যায়।

জেনে নিন কাজীকাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?

প্রশ্নের উৎস

আলোচ্য প্রশ্নটি হচ্ছে– ডিমে কোন ভিটামিন নেই? এই প্রশ্নটি ৪০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় দৈনন্দিন বিজ্ঞান অংশে এসেছিল। যদিও বিসিএসের পূর্বে প্রশ্নটি একাধিকবার বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উত্তর করতে হয়েছে।

তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া

Leave a comment