বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?

প্রশ্ন: বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?

সঠিক উত্তর: সেন্টমার্টিন

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?

প্রবাল কী?

প্রবাল হচ্ছে এক ধরণের সামুদ্রিক প্রাণী। প্রবাল সাধারণত এরা গ্রুপ তৈরি করে বসবাস করে থাকে। যদিও এরা প্রাণী, কিন্তু সাগরের নিচে তলের উপর নিশ্চল অবস্থান নেয়। আর এভাবেই তারা বাকি জীবন পার করে দেয়।

প্রবাল যেখানে বসে সেখানে নিজের দেহের চারপাশে ক্যালসিয়াম কার্বনেট নিঃসরণ করে থাকে। এই ক্যালসিয়াম কার্বনেট পরে শক্ত হয়ে যায়। এই শক্ত পাথুরে অংশটি প্রবালের বহিঃকঙ্কাল তৈরি করে ফেলে।

একটা প্রবালের মৃত্যুর পরেও পাথুরে আবরণটি থেকে যায়। এই প্রবালের আবরণের উপর নতুন করে আবার প্রবাল বসতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি অনেক বছর ধরে চলতে থাকে।

এভাবেই একসময় একটি বড়সড় পাথুরে আকার ধারণ করে। আর এভাবে বহু বছর পর তৈরি হয় বড় প্রবাল দ্বীপ এবং দ্বীপের চারদিকে একটি প্রাচীরের মতো দেখা যায়। এই প্রাচীরটিকে প্রবাল প্রাচীর বলা হয়।

আরো পড়ুন

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ

বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি উপসাগর। বঙ্গোপসাগরের বুকে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি দ্বীপ বাংলাদেশের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত। যেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে– ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, মহেশখালী, সেন্ট মার্টিন ইত্যাদি।

বাংলাদেশেও একটি প্রবাল দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটি হচ্ছে সেন্ট মার্টিন। সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ। সেন্ট মার্টিন পর্যটন শিল্পের ক্ষেত্রে সুপরিচিত। দ্বীপটি কক্সবাজারের টেকনাফ উপকুল থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কিন্তু মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের নাফ নদী অবস্থিত।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রায় ৬৬ টি প্রকারের প্রবাল পাওয়া যায়। দ্বীপটির সুন্দর একটি প্রবাল প্রাচীর রয়েছে। প্রবাল প্রাচীরের কারণের সেন্ট মার্টিন বিশেষভাবে সুপরিচিত এবং পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত। একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে সেন্ট মার্টিন দেশের অন্যতম সুন্দর জায়গাগুলোর মধ্যে একটি।

প্রশ্নের উৎস

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি? প্রশ্নটি খুবই কমন একটি প্রশ্ন। অগণিত চাকরি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে এই প্রশ্নটি আসতে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে ২০১৬ সালের বেসরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এসেছিল। দ্বীপ বিষয়ক প্রশ্নটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।

তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া

Leave a comment